Skip to main content

নকলায় ফলাফল প্রকাশের পর এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু | শেরপুর সংবাদ

 নকলায় ফলাফল প্রকাশের পর এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

শেরপুরের নকলায় এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর চার বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

  • এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নকলায় শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃ




নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর:

শেরপুরের নকলায় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না আসায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে অন্তি (১৬) নামের এক শিক্ষার্থী অকালে প্রাণ হারিয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোরে উপজেলার চন্দ্রকোণা ইউনিয়নের চরবাছুর আলগী গ্রামের সরকার বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনার বিস্তারিত

নিহত অন্তি ওই গ্রামের দুলাল উদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় চন্দ্রকোণা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দেশব্যাপী এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর অন্তি জানতে পারে সে চার বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। এরপর থেকেই সে চরম মানসিক কষ্টে ভুগছিল। মঙ্গলবার ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘরের বারান্দায় তাকে নিথর অবস্থায় দেখতে পান এবং দ্রুত পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে নকলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশের বক্তব্য ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

পরীক্ষার আশানুরূপ ফল না আসায় মানসিক কষ্ট ও হতাশা থেকেই এ মর্মান্তিক পরিণতি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্তির এই অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, "পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, চার বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকে মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


Comments

Popular posts from this blog

নকলায় শিশুদের ঝগড়ার জেরে বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ, এলাকায় চাঞ্চল্য

  নিজস্ব প্রতিবেদক, নকলা: শেরপুরের নকলা উপজেলার  কায়দা বেগুনপট্টি এলাকায় শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে হুজুরা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ  উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে ঘটনাটির সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি বড়দের মধ্যে বিরোধে রূপ নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একপর্যায়ে হুজুরা বেগম (৬০) গুরুতরভাবে আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে  বৃদ্ধার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত কী, সে বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে। ঘটনার বিস্তারিত ও স্থানীয়দের বক্তব্য জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন। 🎥 বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন নোট:  প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

নকলায় ভ্যানচালক হত্যা: প্রায় ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটনের দাবি, গ্রেপ্তার ৩

  নকলায় ভ্যানচালক হত্যার প্রায় ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটনের দাবি, গ্রেপ্তার ৩ নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর: শেরপুরের নকলা উপজেলায় ভ্যানচালক আব্দুল মন্নাছ হত্যা মামলার প্রায় তিন বছর পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় নিহতের তিন বন্ধু মোস্তাকিন, স্বপন ও শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে শেরপুর শহরের পুরাতন গরুহাটি এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই শেরপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত। যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত পিবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নকলা উপজেলার পাঠাকাটা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুল মন্নাছকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে বাঘমারী বিল এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশের দাবি, সেখানে মন্নাছকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ বিলের কাদা ও কচুরিপানার আড়ালে রেখে তাঁর ভ্যানটি নিয়ে চলে যান অভিযুক্তরা। ভ্যান বিক্রির অর্থ ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগ তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে পিবিআই জানিয়েছে, মন্নাছের ভ্যানের ব্যাটারি ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হয়। ব্যা...

নকলা মাদ্রাসার ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ৩

  নকলায় আল-জামিয়াতুল মাদানিয়া কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ৩ নিজস্ব প্রতিবেদক | নকলা, শেরপুর শেরপুরের নকলা উপজেলার  আল-জামিয়াতুল মাদানিয়া কওমি মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রের ওপর হামলার অভিযোগ  উঠেছে। মাদ্রাসার নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার অভিযোগ, আহত ৩ ছাত্র অভিযোগ অনুযায়ী,  জবান ইলেকট্রনিক্সের মালিক জবান আলী, মিন্টু ও তার ছেলে  মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রের ওপর হামলা চালান। এতে অন্তত  ৩ জন ছাত্র আহত  হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে  নকলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে  বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন কমিটি নিয়ে বিরোধের অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মাদ্রাসার  নতুন কমিটি নিয়ে বিরোধের  সূত্র ধরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ, ঘটনার সময় কী ঘটেছিল এবং কারা এতে জড়িত—এসব বিষয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর মাদ্রাসার শিক্ষার্থ...